দারচিনির রয়েছে নানা গুণ: জেনে নিন
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কোলেস্টেরল থেকে ডায়াবিটিস একাধিক জটিল অসুখে দারচিনি বিশেষ উপকারী। শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই দারচিনি ব্যবহার হয় তা নয়। দারচিনির রয়েছে আরও নানা গুণ।
দারচিনি বাঙালির প্রিয় একটি মশলা। এই গরম মশলা নানা রকম রান্নার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। গরম মশলার একটা উপাদান দারচিনি। গন্ধতেই মন ভরে যায়। ব্রণর সমস্যায় এটি কাজে লাগে। এক ভাগ দারচিনির সঙ্গে তিন ভাগ মধু মিশিয়ে ব্রণর উপরে লাগালে উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে আধ ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ মুখের অতিরিক্ত তেল শুষে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালনের হার বাড়াতেও সাহায্য করে। ২-৩ দিন করলে ব্রণ সেরে যায়। ত্বকে কোনও দাগ থাকলেও উপকার মেলে।
ত্বক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দারচিনির ব্যাক্টিরিয়ারোধী উপাদান ত্বকের লাবণ্য বাড়ায়। দারচিনি, কলা, লেবুর রস ও টক দই মিশিয়ে মুখ ও গলায় লাগিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। পরে তা হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরফলে ত্বকের র্যাশ দূর হয়ে যায়। ত্বক টানটান থাকে এবং বলিরেখাও কমে যায়। অন্যদিকে যাঁরা হাড়ের বা গাঁটের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা হালকা গরম জলে এক চা-চামচ মধু আর ২ চা চামচ দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। ব্যথার জায়গায় দিনে ২ বার মালিশও করতে হবে। এক্ষেত্রে দ্রুত ফল পাওয়া যায়। আবার পেটের সমস্যা দূর করতে দারচিনির গুরুত্ব রয়েছে। দারচিনির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি দূর হয়। পেট পরিষ্কার রাখার জন্য রাতে শুতে যাওয়ার আগে দারচিনির সঙ্গে হরিতকিগুঁড়ো মিশিয়ে খেতে হবে। উপকার পাওয়া যাবে।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, প্রতিদিন নিয়ম করে অর্ধেক চা চামচ দারুচিনিগুঁড়ো খেলে রক্তে খারাপ কোলস্টেরল -এর মাত্রা কমে যায়। এক্ষেত্রে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে। টাইপ-২ ডায়াবিটিস রোগিদের জন্য বিশেষ উপকারী এটি। আবার ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যথা হলে বা খুশখুশে কাশিতে মধু মেশানো চায়ের সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে আরাম পাওয়া যায় ।
আর্থরাইটিসের সমস্যা থাকলে এক কাপ গরম জলের মধ্যে দু- চা চামচ মধু
ও দারচিনিগুঁড়ো মিশিয়ে সকাল ও বিকেল খেলে ব্যথা অনেকটা কমে যাবে বলে জানানো হয়েছে।

